
সেচ মৌসুমে তেল না পেয়ে ফসল উৎপাদন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছিলেন কৃষকেরা। বিশেষ করে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ মাঠ অনাবাদি হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। তবে প্রশাসন থেকে তেল বিক্রয়কেন্দ্র চালুর ফলে কৃষকের এই দুশ্চিন্তার অবসান হয়েছে। শুধু কৃষক নয়, দীর্ঘদিনের তেলসংকটে থমকে যাওয়া নৌকার ইঞ্জিনও চালু হয়েছে। নৌযানের চালক ও জেলেরা যেন প্রাণ ফিরে পেলেন বালাসীঘাটে তেল বিক্রয়কেন্দ্র চালুর ফলে।
আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ) দুপুরে ফুলছড়ি উপজেলার বালাসীঘাটে রসুলপুর ফিলিং স্টেশনের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা। এ সময় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনের প্রথম দিনেই কৃষক ও নৌকার মাঝিদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। তাঁরা সারবদ্ধভাবে তেল সংগ্রহ করেন এবং কিছুটা স্বস্তি ফিরে পাওয়ার কথা জানান।
স্থানীয় কৃষক আব্দুল কাদের বলেন, ‘আগে তেলের জন্য অনেক দূরে যেতে হতো, সময় ও খরচ বেশি লাগত। এখন এখানে তেল বিক্রি করায় সহজে তেল পাচ্ছি। এতে আমাদের কৃষিকাজ চালানো অনেক সহজ হবে।’
আরেক কৃষক রহিম উদ্দিন বলেন, ‘সেচ মৌসুমে তেল না পেয়ে আমরা চরম সমস্যায় পড়েছিলাম। এই বিক্রয়কেন্দ্র আমাদের জন্য খুবই উপকারী হয়েছে।’
নৌকার মাঝি জামাল মিয়া বলেন, ‘আমাদের নৌকা চালাতে তেল খুব দরকার। আগে তেল আনতে গিয়ে দিন শেষ হয়ে যেত। এখন কাছেই পাওয়ায় সময় বাঁচছে, আয়ও বাড়বে।’

স্থানীয় বাসিন্দা সুলতানা বেগম বলেন, ‘চরাঞ্চলের মানুষের কথা চিন্তা করে প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে সাধারণ মানুষের কষ্ট অনেকটা কমবে।’
জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘চরাঞ্চলের কৃষক ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এই তেল বিক্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। চলতি কৃষি মৌসুমে চরের চাষিরা নির্বিঘ্নে সেচকাজ চালানোর জন্য জনপ্রতি দৈনিক সর্বোচ্চ ১০ লিটার পর্যন্ত ডিজেল সংগ্রহ করতে পারবেন।’

ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী গৌরীপুর রেলওয়ে জংশন। ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯১৭ সালে ব্রহ্মপুত্রের পূর্বপাড়ে এটি গড়ে তোলা হয়। বর্তমানে জনবলসংকট, জরাজীর্ণ অবকাঠামো নিয়ে শতাব্দীপ্রাচীন স্টেশনটির ভগ্নদশা। স্থানীয়দের দাবি, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উন্নত অবকাঠামো দিয়ে এই পুরোনো স্টেশনটিকে অত্যাধুনিক করা
২ ঘণ্টা আগে
পূর্ব সুন্দরবনে মধু আহরণের মৌসুম শুরু হলেও চলতি বছর আশানুরূপ উৎপাদন না হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বনদস্যুদের আতঙ্কে অনেক মৌয়াল সুন্দরবনে যেতে অনাগ্রহ দেখাচ্ছেন, আবার কেউ কেউ মাঝপথেই ফিরে আসছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দেশের ব্যস্ততম সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। এই সড়কে এখন বইছে বসন্তের বাতাস। বাস্তবিক অর্থেই ফুলে ফুলে ভরে গেছে এই মহাসড়ক। সড়ক বিভাজকে লাগানো গাছে কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রামের শেষ প্রান্ত মোহাম্মদ আলী পর্যন্ত প্রায় ১০৫ কিলোমিটারজুড়ে ফুটেছে রাধাচূড়া।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরায় ঢাকঢোল পিটিয়ে ফুটপাত দখলমুক্ত করার অভিযান চালিয়েও কোনো কাজে আসেনি। উচ্ছেদ অভিযানের আগে যে অবস্থা ছিল, এখন আবার সেই একই অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। গতকাল শুক্রবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সরেজমিনে এ চিত্র দেখা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে