
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে মনির হোসেন নামে (৪৫) বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে মাদক সেবনরত অবস্থায় গ্রেপ্তার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। পরে তাঁকে ঘটনাস্থলেই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল আমিন ১০ দিনের কারাদণ্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চতুল গ্রাম থেকে তাঁকে মাদক (ইয়াবা) সেবন অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মোতালেব শেখের ছেলে এবং বোয়ালমারী পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ছিলেন।
গত ২৪ জানুয়ারি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে দলীয় পদসহ প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।
ফরিদপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক বেলায়েত হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মনির হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন অবস্থায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁকে ১০ দিনের কারাদণ্ড প্রদান ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে তাঁকে জেলা কারাগারে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে