
ফরিদপুরের মধুখালীতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছে ধাক্কা লেগে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মধুখালী উপজেলার মেছড়দিয়া মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে সড়কের পাশে ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে বসে থাকা আমিনুল ইসলাম বিদুল (৫৫) নামে এক ভ্যানচালক রয়েছেন। বাস ও গাছের মাঝে চাপা পড়ে তিনি গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমিনুল উপজেলার কামালদিয়া ইউনিয়নের কালপোহা গ্রামের মৃত তাছের শেখের ছেলে। এ ছাড়া আহত বাসযাত্রীদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।
করিমপুর হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা নদীর দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা মাগুরাগামী আরএসএফ নামে একটি লোকাল যাত্রীবাহী বাসের চালক সড়কের ওই স্থানে একটি গতিরোধক লক্ষ না করেই বাসটিকে দ্রুতগতিতে তুলে দেন। তখন রাস্তার পাশে থাকা একটি বড় আকৃতির পাকুড়গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায় বাসটি। এ সময় গাছের পাশে ভ্যান নিয়ে বসে থাকা আমিনুল ইসলাম বিদুল বাস ও গাছের মাঝে আটকে পড়েন।
খবর পেয়ে মধুখালী ও ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় তাঁকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। পরে তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ সময় সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা অধীর চন্দ্র হাওলাদার বলেন, ‘বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে এবং একজন ভ্যানচালক আটকে পড়েন। আমরা দ্রুত উদ্ধারকাজ সম্পন্ন করি।’ মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম নুরুজ্জামান বলেন, ‘আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছি এবং দুর্ঘটনাকবলিত বাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে