
দ্বিতীয় দফায় শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ২০ জন ঢাকা মেডিকেলে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মহিউদ্দিন রনিও রয়েছেন। তাঁদের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
আজ শুক্রবার রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রথম দফায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার শেল ও লাঠিপেটায় অর্ধশতাধিক ইনকিলাব মঞ্চের কর্মী আহত হন। এর প্রতিবাদে সন্ধ্যার দিকে তাঁরা শাহবাগ অবরোধ করেন। সেখানে পুলিশের লাঠিপেটা ও টিয়ারগ্যাস শেলে ঢাকা-১৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রাথী মহিউদ্দিন রনিসহ ২০ জন আহত হয়ে হাসপাতালে আসেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘মহিউদ্দিনের লাঠির আঘাত রয়েছে, এ ছাড়া টিয়ারগ্যাস শেলের ইনহেলিসন ইনজুরি হয়েছে। তবে সে স্ট্যাবল আছে। এ ছাড়া বাকিদেরও টিয়ারগ্যাস ও লাঠির আঘাত রয়েছে। তাদের সবাইকে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কাউকে ভর্তি দেওয়া হয়নি।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে