
ঢাকার ধামরাই উপজেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ভবনের টয়লেট থেকে এক অটোরিকশাচালকের (৪০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার সকালে বাসা থেকে বের হন তিনি। এর পর থেকে পরিবারের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।
রোববার সন্ধ্যার দিকে ধামরাই উপজেলা পরিষদের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলার একটি টয়লেটের ভেতরে মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ধামরাই থানা-পুলিশ।
নিহত ব্যক্তি হলেন ধামরাই উপজেলার কালামপুর বাটুলিয়া গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে মোহাম্মদ আলী।
ধামরাই থানা-পুলিশ জানায়, আশপাশের ছোট বাচ্চারা খেলাধুলা করতে গিয়ে লাশটি দেখতে পায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহালে দেখা যায়, মরদেহের মাথায় ২টি ও পিঠে ৪টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের বিভিন্ন স্থানে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে