বেতন বাড়ানো ও চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে আন্দোলন করছেন গ্রাম পুলিশ সদস্যরা।
আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সারা দেশ থেকে আসা কয়েক শ গ্রাম পুলিশ সদস্য এই আন্দোলনে অংশ নেন।
মিজানুর রহমান নামে গ্রাম পুলিশের এক সদস্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের বেতন মাত্র ৬ হাজার ৫০০ টাকা। সরকার থেকে ৩ হাজার ২৫০ টাকা দেয় আর ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ৩ হাজার ২৫০ টাকা। এই টাকায় কিছু হয় না। আমাদের ডিউটি ২৪ ঘণ্টা।’
যতক্ষণ দাবি আদায় না হবে, আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন এই গ্রাম পুলিশ সদস্য।
আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক গ্রাম পুলিশ সদস্য মোস্থফা কামাল বলেন, ‘আমাদের থেকে ১০ সদস্যের একটি দল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গিয়েছেন। সেখানে স্মারক লিপি জমা দেওয়া হবে।’
মোস্থফা কামাল বলেন, ‘আমাদের এক দফা এক দাবি—আমাদের চাকরি জাতীয়করণ করতে হবে। যতক্ষণ আমাদের দাবি নিয়ে কোন ইতিবাচক কিছু না পাবো আমরা এখানেই আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে