
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠসহ অন্যান্য খেলার মাঠ যথাযথভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে আজ বুধবার এই রায় দেন বিচারপতি মো. সোহরাওয়ারদী ও বিচারপতি দিহিদার মাসুম কবীরের বেঞ্চ।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে খেলার মাঠ ভাড়া দেওয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে খেলাধুলার কার্যক্রম চলমান নিশ্চিত করতে নির্দেশনা চেয়ে ২০১২ সালে রিট করা হলে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
পরবর্তীতে শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল খেলার মাঠ, জগন্নাথ হল খেলার মাঠ, হাজী মুহাম্মদ মহসিন হল খেলার মাঠ, কবি জসিম উদ্দিন হল খেলার মাঠ, ফজলুল হক হল খেলার মাঠ, মুসলিম হল খেলার মাঠ, ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল খেলার মাঠ ও রোকেয়া হল খেলার মাঠ রক্ষায় নির্দেশনা চেয়ে সম্পূরক আবেদন দাখিল করা হয়।
এইচআরপিবির পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
তিনি আদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব খেলার মাঠ সংরক্ষণ করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে