ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘প্রয়োজনে প্রতিটি দোকানে ট্রেড লাইসেন্স লেমিনেটিং করে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। ব্যবসার প্রয়োজনে এটা করতে হবে। নিজেদের সুরক্ষার প্রয়োজনেই।’
আজ বুধবার লালবাগের শহীদ নগর সামাজিক অনুষ্ঠান কেন্দ্র (কমিউনিটি সেন্টার) পরিদর্শন শেষে তিনি এই কথা বলেন। এ সময় মেয়র আশপাশের দোকানে ঘুরে দোকানগুলোতে ট্রেড লাইসেন্স আছে কি না তার খোঁজ খবর নেন।
মেয়র তাপস বলেন, ‘ব্যবসার প্রয়োজনেই ট্রেড লাইসেন্স প্রয়োজন। এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই কাগজ পাশে রাখতে হবে। যেন সহজেই দেখাতে পারেন। সবাইকেই ট্রেড লাইসেন্স করতে হবে এবং নবায়ন করতে হবে।’
ট্রেড লাইসেন্স থাকলে ব্যবসা পরিচালনা করতে কোনো ধরনের সমস্যা হবে না জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দোকানেই রাখবেন। তখন আর কেউই ঝামেলা করবে না। সিটি করপোরেশন থেকে কেউই না থাকার কারণ জানতে চাইবে না। মেয়রও জানতে চাইবেন না। তাই দোকানে ট্রেড লাইসেন্স ঝুলিয়ে রাখবেন।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে