
নরসিংদীর রায়পুরায় মানিক মিয়া (৬৫) নামের এক মুদি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার ভোরে উপজেলার উত্তর বাখরনগর ইউনিয়নের জঙ্গি শিবপুর এলাকা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মানিক মিয়া ওই গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড সহসভাপতি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর আড়িয়াল খাঁ নদের পাড়ে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর ঘাড়ে কোপানোর চিহ্ন ছিল।
নিহতের মেয়ে সূচনা আক্তার জানান, তাঁর বাবার সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। তাই তাঁরা দ্রুত এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছেন।
জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সুজন চন্দ্র সরকার বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মোবাইল ফোন, টর্চলাইট ও কিছু টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে হত্যার কারণ এখনো জানা যায়নি। পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে