রাজধানীর ডেমরা থানায় দায়ের হওয়া ধর্ষণ মামলায় গায়ক মাইনুল আহসান নোবেলকে জামিন দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুব তাঁকে জামিন দেন।
নোবেলের আইনজীবী মো. খলিলুর রহমান জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে আপস হওয়ায় এবং শরিয়ত মতে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কারণে আদালত জামিন দিয়েছেন।
গত রোববার নোবেলের পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়। ওই দিন আদালত এ মামলার বাদী ইডেন কলেজের ছাত্রী ও নোবেলের উপস্থিতিতে শুনানির জন্য আজ মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন। আজ শুনানির সময় নোবেলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। অন্যদিকে বাদী আদালতে উপস্থিত হন।
শুনানির সময় বাদী আদালতকে জানান জামিনে তাঁর আপত্তি নেই। আসামি পক্ষ থেকে বলা হয় ইতিমধ্যে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে তবে রেজিস্ট্রি হয়নি। জামিন পাওয়ার পর বিবাহ রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে। পরে আদালত নোবেলকে জামিন দেন।
২০ মে নোবেলকে আদালতে হাজির করার পর আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সেই থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন। ১৯ মে দিবাগত রাত ২টার দিকে ডেমরা স্টাফ কোয়ার্টার থেকে নোবেলকে আটক করে পুলিশ।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইডেন কলেজের তৃতীয় বর্ষের এক শিক্ষার্থী ১৯ মে ডেমরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, তরুণীর বাড়ি টাঙ্গাইলে, থাকতেন মোহাম্মদপুরে। গত নভেম্বরে নোবেল ওই তরুণীকে তুলে নিয়ে যান। গত ৭ মাস ধরে ওই তরুণীকে বিয়ে না করে ধর্ষণ করেন। কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁকে মারধরের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। এরপর ওই তরুণীর পরিবার জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ সহায়তা চায়। পরে ১৯ মে পুলিশ তরুণীকে উদ্ধার করে। এরপর একটি ধর্ষণ মামলা রুজু হয়।
নোবেলকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে আটক রাখার পর জামিনের আবেদন করা হলেও আদালত তাঁকে জামিন দেননি। পরে গত সপ্তাহে জামিন আবেদনের ওপর শুনানির সময় নোবেলের আইনজীবী জানান, নোবেল বাদীকে বিয়ে করতে রাজি। এরপর আদালত কারাগারে বিয়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। পরে সেখানে বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে