পল্লবীতে শিশু হত্যা

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে পুলিশ। এ সময় কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে লাঠিপেটা করতেও দেখা যায়।
আজ শুক্রবার বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে। এর আগে দুপুর থেকে পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশু হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ চলছিল বিক্ষুব্ধ জনতার।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে একদল বিক্ষোভকারী মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। এতে যান চলাচল ব্যাহত হতে শুরু করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এর আগে জুমার নামাজের পর পল্লবীতে নিহত শিশুর বাসার সামনে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে বেলা ২টার পর বিক্ষোভকারীরা মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে অবস্থান নেন। এতে মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় যান চলাচলে ধীরগতি দেখা যায়।
বিক্ষোভকারীরা শিশু হত্যার দ্রুত বিচার ও দোষী ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান দেন।
মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা দীর্ঘক্ষণ ধরে বিক্ষোভ করছিলেন। তাঁদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের কারণে আমরা তাঁদেরকে কোনো ধরনের বাধা দিইনি। তারপরও বিক্ষোভের কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলেছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁরা যান চলাচল বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে যানজট সৃষ্টি হয়। এ সময় তাঁদেরকে ছত্রভঙ্গ করে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।’

প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
২৪ মিনিট আগে
সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘অভিযুক্তের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশও ওই বিরোধকে তদন্তের অন্যতম বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো। আমি কঠিন শাস্তি দাবি করছি।’
৩৪ মিনিট আগে
মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
২ ঘণ্টা আগে