গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জে পিকআপ ভ্যান ও নসিমনের মধ্যে সংঘর্ষে তিন মাছ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, রমেশ মিত্রের ছেলে মঙ্গল মিত্র (৩০), আক্কাস মোল্লার ছেলে লিমন মোল্লা (৩০) এবং আতিয়ার মোল্লার ছেলে জুবায়ের মোল্লা (২৬)। নিহত সবার বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মাসুদ রানা (৩০) বলেন, ৩ টার দিকে পল্লী বিদ্যুৎ মোড়ে রাস্তা পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় একটি পিকআপ আসতে দেখে রাস্তার পাশে দাঁড়ায় থাকি। এ সময় টেকেরহাট গোপালগঞ্জ রোড থেকে একটি নসিমন আসছিল। নসিমনটি আমি থামার জন্য হাত দিয়ে ইশারা দেই এবং থামতে বলি। কিন্তু নসিমন চালক আমার ইশারা না মেনে হাইওয়েতে উঠিয়ে দেয় এবং পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় একজন ঘটনাস্থলে নিহত হয় ও গুরুতর আহত ২ জনকে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক মো. জালাল জানিয়েছেন, মাদারীপুরের টেকেরহাট এলাকা থেকে মাছ ধরে নসিমনে করে মাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্র দীঘলিয়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে গোপালগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মোড় দিয়ে ঢাকা-খুলনা হাইওয়েতে ওঠার সময় খুলনাগামী ওষুধবাহী একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মঙ্গল বিশ্বাস নিহত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গুরুতর আহতাবস্থায় লিমন ও জোবায়েরকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনলে গুরুতর আহত লিমন সরদারকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে গুরুতর আহত জোবায়ের চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায়।
ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ইন্সপেক্টর আবু নাঈম মো. তোফাজ্জেল হক জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে পিকআপ ভ্যানটিকে জব্দ করা সম্ভব হয়নি।
গোপালগঞ্জে পিকআপ ভ্যান ও নসিমনের মধ্যে সংঘর্ষে তিন মাছ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, রমেশ মিত্রের ছেলে মঙ্গল মিত্র (৩০), আক্কাস মোল্লার ছেলে লিমন মোল্লা (৩০) এবং আতিয়ার মোল্লার ছেলে জুবায়ের মোল্লা (২৬)। নিহত সবার বাড়ি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার নিজামকান্দি গ্রামে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মাসুদ রানা (৩০) বলেন, ৩ টার দিকে পল্লী বিদ্যুৎ মোড়ে রাস্তা পার হওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে ছিলাম। এ সময় একটি পিকআপ আসতে দেখে রাস্তার পাশে দাঁড়ায় থাকি। এ সময় টেকেরহাট গোপালগঞ্জ রোড থেকে একটি নসিমন আসছিল। নসিমনটি আমি থামার জন্য হাত দিয়ে ইশারা দেই এবং থামতে বলি। কিন্তু নসিমন চালক আমার ইশারা না মেনে হাইওয়েতে উঠিয়ে দেয় এবং পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় একজন ঘটনাস্থলে নিহত হয় ও গুরুতর আহত ২ জনকে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
গোপালগঞ্জ সদর থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক মো. জালাল জানিয়েছেন, মাদারীপুরের টেকেরহাট এলাকা থেকে মাছ ধরে নসিমনে করে মাছ বিক্রির উদ্দেশ্যে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার চন্দ্র দীঘলিয়া বাজারে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে গোপালগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মোড় দিয়ে ঢাকা-খুলনা হাইওয়েতে ওঠার সময় খুলনাগামী ওষুধবাহী একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে মঙ্গল বিশ্বাস নিহত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গুরুতর আহতাবস্থায় লিমন ও জোবায়েরকে উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে আনলে গুরুতর আহত লিমন সরদারকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে গুরুতর আহত জোবায়ের চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মারা যায়।
ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ইন্সপেক্টর আবু নাঈম মো. তোফাজ্জেল হক জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে পিকআপ ভ্যানটিকে জব্দ করা সম্ভব হয়নি।
বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ধুঁকছে নানা সংকটে। স্যাঁতসেঁতে কক্ষ। নেই বসার পর্যাপ্ত জায়গা। আলোকস্বল্পতাও প্রকট। সকাল ৯টায় খোলা হলেও সামান্য দেরিতে গেলে বসার জায়গা পান না শিক্ষার্থীরা। এসব সমস্যার সমাধানসহ শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও লাইব্রেরি খোলা রাখার...
৩১ মিনিট আগেনীলফামারীর চিলাহাটি থেকে সৈয়দপুর হয়ে রাজশাহী রুটে বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেস নামের দুটি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করে। প্রতিদিন এ দুই ট্রেনে ১০ থেকে ১২ হাজার যাত্রী যাতায়াত করে থাকে। অথচ মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন কোচ দিয়ে চলছে ট্রেন দুটি।
১ ঘণ্টা আগেময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার শিলাসী গ্রামের মাইজভান্ডারি মতাদর্শের অনুসারী সোহেল রানা। তিনি গ্রামেগঞ্জে ঘুরে ঘুরে কবিরাজি করতেন। মাজারে মাজারে ঘুরে দিনপাত করতেন। ২০২০ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সোহেলকে একটি ইটভাটায় ডেকে নেয় সুমন বাহিনী। প্রথমে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগেপ্রায় এক ঘণ্টা অবরুদ্ধ হাসপাতালের ভেতরে অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন উপদেষ্টা। রাত সাড়ে ১২টার পর হাসপাতালের বিকল্প আরেকটি গেট (বাগান গেট) দিয়ে তিনি বের হয়ে যান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
২ ঘণ্টা আগে