নেত্রকোনার উদীচীর কার্যালয়ে বোমা হামলার ঘটনায় জেএমবি সদস্য ইউনুছ আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। তাঁর আপিল খারিজ করে আজ বুধবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বিভাগ এই রায় দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।
২০০৫ সালে নেত্রকোনায় উদীচীর কার্যালয়ে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় করা মামলায় বিচারিক আদালত ২০০৮ সালে আসাদুজ্জামান পনির, সালাউদ্দিন সোহেল ও ইউনুছ আলীর ফাঁসির রায় দেন। ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিলের শুনানি শেষে ২০১৪ সালে হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের রায় বহাল রাখেন। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা পৃথকভাবে আপিল করেন পরবর্তীতে।
সারওয়ার হোসেন বাপ্পী বলেন, ২০১৬ সালে আসাদুজ্জামান পনিরের আপিল খারিজ হয়। রিভিউ আবেদন করলে তাও খারিজ করেন আপিল বিভাগ। পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে ২০২১ সালে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। আর সালাউদ্দিন সোহেলের অন্য মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে