
মাসুদ রানা সিরিজের ২৬০টি ও কুয়াশা সিরিজের ৫০টি বই নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার অনুমতি পেয়েছেন কাজী আনোয়ার হোসেনের উত্তরাধিকারীরা। তাঁদের করা লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি) মঞ্জুর করে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ আজ সোমবার এই আদেশ দেন।
আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুরাদ রেজা ও হামিদুল মিসবাহ। রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটসের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান ও মো. ইফতাবুল কামাল। খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘আদালত আপিলের অনুমতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে ওই বইগুলো বেচাকেনার বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখতে বলেছেন।’
এর আগে, এর আগে ২০২০ সালের ১৪ জুন কপিরাইট অফিস বইগুলোর প্রকাশ বা বাণিজ্যিক কার্যক্রম গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকতে সেবা প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারীর প্রতি নির্দেশ দেন। পরে রেজিস্ট্রার অব কপিরাইটসের ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালের আগস্টে রিট করেন কাজী আনোয়ার হোসেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই সময় রুল দিয়ে মাসুদ রানা ও কুয়াশা সিরিজের বইয়ের বিষয়ে কপিরাইট অফিসের দেওয়া আদেশ স্থগিত করেন আদালত।
চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর হাইকোর্ট কাজী আনোয়ার হোসেনের করা রিট খারিজ করে রায় দেন। সেই সঙ্গে কপিরাইট অফিসের সিদ্ধান্তের ওপর হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশও প্রত্যাহার করা হয়। এ কারণে কপিরাইট অফিসের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। যাতে মাসুদ রানা সিরিজের ২৬০ ও কুয়াশা সিরিজের ৫০টি বইয়ের লেখক হিসেবে শেখ আবদুল হাকিমেরই মালিকানা স্বত্ব বজায় থাকে।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি মারা যান কাজী আনোয়ার হোসেন।

প্রাগপুরের বিলগাতুয়া সীমান্তের ১৫০/৩-এস সাব-পিলার সংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি অবৈধ পুশইনের ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সীমান্তে অবস্থানরত ব্যক্তিদের ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানায়।
৭ মিনিট আগে
সুজন বড়ুয়া বলেন, ‘অভিযুক্তের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন-সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশও ওই বিরোধকে তদন্তের অন্যতম বিষয় হিসেবে বিবেচনা করছে। তেজ বড়ুয়া গ্রেপ্তার হওয়ায় বিচারের পথ সুগম হলো। আমি কঠিন শাস্তি দাবি করছি।’
১৭ মিনিট আগে
মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
১ ঘণ্টা আগে