
৮ বছর আগে ২০১৪ সালে পেট্রোবাংলার কোম্পানি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স) এর একটি পদে চাকরির আবেদন করেন প্রবীর চন্দ্র দাস। তবে লিখিত পরীক্ষার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলেও আর এ বিষয়ে কোনো ডাক আসেনি। তারপর বিভিন্ন জায়গায় চাকরির পর বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সহকারী সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে ৮ বছর পর শুক্রবার লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য অন্যান্য চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে তাকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।
আজকের পত্রিকাকে প্রবীর চন্দ্র দাস বলেন, ‘দীর্ঘ ৮ বছর পর লিখিত পরীক্ষার জন্য কলিং লেটার দেখে অবাক হলাম।’
বাপেক্সকে কটাক্ষ করে প্রবীর চন্দ্র বলেন, ‘তবুও অসংখ্য ধন্যবাদ বাপেক্স কর্তৃপক্ষকে সেই স্বপ্ন দেখার দিনগুলো মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য, যখন এক একটা চাকরির আবেদন করা মানেই ছিল এক একটা সোনার হরিণের পেছনে অবিরাম ছুটে চলার গল্প। বাপেক্স এর মতো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এ ধরনের প্রশাসনিক জটিলতার উদাহরণ কাম্য নয়।’
শুক্রবার বাপেক্সের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আবুল বশর স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ) পদে ২০১৪–১৫ সালে চাকরির আবেদন করায় আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে আপনি লিখিত পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য আগামী ১৪ জুলাইয়ের মধ্যে বাপেক্স ভবনে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাতে হবে। কাগজপত্র জমা না দিলে লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাঠানো হবে না।
২০১৪ সালে সহকারী ব্যবস্থাপক (সাধারণ) পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিল বাপেক্স। সে সময় যারা আবেদন করেছিলেন, তাদের এখন চাকরির বয়স নেই। আবার অনেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি পাওয়ার পর পদোন্নতি পেয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাও হয়েছেন।
তবে বাপেক্সের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আবুল বশর গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আবেদনকারীরা যাতে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত না হয় সে জন্য দীর্ঘদিন পরে হলেও পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে