
সোহাগ হত্যায় জড়িতরা যত ক্ষমতাশালীই হোক না কেন, আইনের আওতায় আনা হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। আজ রোববার দুপুরে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘মব ভায়োলেন্স কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মিটফোর্ডের ঘটনা যারাই ঘটিয়ে থাকুক, যত বড় ক্ষমতাশালীই হোক, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
তিনি আরও জানান, ইতিমধ্যে ঘটনায় জড়িত অভিযোগে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ সময় বৈঠক প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন সংক্রান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব ধরনের কার্যক্রম সম্পন্ন করতে চায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
তিনি আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নির্বাচনের একটি অংশ মাত্র। নির্বাচন কমিশন আছে, তারা নির্বাচন করবে। প্রার্থীদের একটা বড় ভূমিকা রয়েছে।
আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের সব কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে