
ঈদুল আজহায় টানা ১০ দিনের ছুটি শেষ না হতেই যানজট এড়াতে কর্মজীবীরা ফিরতে শুরু করেছেন রাজধানী ঢাকায়। আজ মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল থেকে ঢাকার বিভিন্ন রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে এ চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, গাবতলী, কমলাপুর রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মানুষ ঢাকায় প্রবেশ করছে।
এ সময় কথা হয় বেসরকারি চাকরিজীবী শরিফুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘১০ দিনের ছুটি ছিল। ঈদ উৎসব প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো শেষ। ঢাকায় যানজটের কারণে আগেই চলে আসছি। ঠিক সময়ে কর্মস্থলে যোগ দিতে না পারলে বসের ঝাড়ি খেতে হয়।’

যশোর থেকে আসা ব্যাংকার তরিকুল বলেন, ‘ছুটির শেষের দিকে এলে টিকিট পাওয়া কষ্টকর হয়ে যায়। এ ছাড়া সে সময় মানুষের চাপ ও রাজধানীতে অনেক বেশি যানজট হবে। এ জন্য আগে থেকে ফেরা।’
লঞ্চের কয়েকজন যাত্রীর সঙ্গে কথা হলে তাঁরা জানান, আগে থেকে ঢাকায় এসে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তেমন যানজট ছিল না। এক ঘণ্টার পথ ২০ মিনিটে আসা গেছে।
বাস কাউন্টারের সংশ্লিষ্টরা জানান, যাত্রীরা ফিরতে শুরু করেছে। তবে তেমন কোনো চাপ নেই। কয়েক দিন পরেই অনেক বেশি চাপ শুরু হয়ে যাবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে