ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তাঁর স্ত্রী ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৭-এর বিচারক মিনাজ উদ্দীন তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে গতকাল সোমবার গভীর রাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ধানমন্ডি এলাকা থেকে মোহাম্মদ রাসেল ও শামীমা নাসরিনকে আটক করে। পরে পুলিশ পাহারায় তাঁদের আদালতে নেওয়া হয়।
সাজাপ্রাপ্ত একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁদের আদালতে নেওয়া হয়। আদালত সাজা কার্যকরের জন্য তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এই আদালত প্রত্যেককে এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছিলেন।
তাঁদের কারাগারে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতের অতিরিক্ত পিপি ইদ্রিস আলী।
গ্রাহকের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে এবং চেক প্রতারণার অভিযোগে সারা দেশে দায়ের করা প্রায় ৪০০ মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন মামলায় বিভিন্ন আদালত বিভিন্ন মেয়াদে তাঁদের সাজা দেন।
গত বছর ১৯ জানুয়ারি একটি প্রতারণার মামলায় রাসেল ও শামীমাকে ঢাকার একটি আদালত দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। একই বছর ২৯ জানুয়ারি দুজনকে দুই বছর করে, ৬ এপ্রিল দুজনকে তিন বছর করে, ১৩ এপ্রিল দুজনকে তিন বছর করে, ১৮ সেপ্টেম্বর দুজনকে তিন বছর করে ও ১২ নভেম্বর দুজনকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিভিন্ন আদালত। গত বছর ১৯ ডিসেম্বর ঢাকার একটি আদালত রাসেলকে দুই বছর ও শামীমাকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন আরেকটি মামলায়। সর্বশেষ ৭ জানুয়ারি রাসেলকে একটি চেক প্রতারণার মামলায় এক বছর এবং ১৯ জানুয়ারি রাসেল ও শামীমাকে একটি প্রতারণার মামলায় ১৫ মাস করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার আরও দুটি আদালত।
এ ছাড়া গত বছর ২ জুন চট্টগ্রামের একটি আদালত রাসেল ও শামীমাকে এক বছর করে কারাদণ্ড দেন আরেকটি প্রতারণার মামলায়।
এর আগে ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুরের বাসভবন থেকে এই দম্পতিকে প্রথমবার গ্রেপ্তার করেছিল র্যাব। দীর্ঘ কারাবাসের পর ২০২২ সালের এপ্রিলে শামীমা নাসরিন এবং ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে মোহাম্মদ রাসেল জামিনে মুক্তি পান। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁরা আর আদালতে হাজির হননি। গ্রাহকদের টাকা পরিষদের শর্তে তাঁদের জামিন দেওয়া হলেও তাঁরা টাকা পরিশোধ করেননি।
কম দামে পণ্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বিজ্ঞাপন দিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পণ্য সরবরাহ না করায় তাঁদের বিরুদ্ধে সারা দেশে মামলা দায়ের করেন গ্রাহকেরা।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে