
বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের সামনে থেকে গ্রেপ্তার ইনামে হামীমকে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। রিমান্ড আবেদন শুনানির সময় আদালত আসামির কাছে একাধিক এনআইডি কার্ড রাখার কারণ জানতে চান। এ সময় হামীম আদালতকে বলেন, ‘একটি আমার আসল এনআইডি কার্ড আর অন্য দুটি গার্লফ্রেন্ড নিয়ে হোটেলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করেছিলাম।’
আজ সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রিমান্ডে নেওয়ার এ নির্দেশ দেন।
আজ বিকেলে ইনামে হামীমকে আদালতে হাজির করে গুলশান থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই শেখ সাইফুল ইসলাম আসামিকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তিন দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গতকাল রোববার দিবাগত রাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে গুলশানের ৮৬ নম্বর রোডে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করার সময় ইনামে হামীমকে আটক করে চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ)। পরে পুলিশে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তাঁর কথাবার্তায় অসংলগ্নতা পাওয়ায় তল্লাশি চালিয়ে তিনটি এনআইডি কার্ড ও পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন ব্যাংকের চেক বই উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গুলশান থানায় প্রতারণা ও জাল-জালিয়াতির মামলা করা হয়।
রিমান্ড আবেদন শুনানির সময় আদালত আসামির কাছে একাধিক এনআইডি কার্ড রাখার কারণ জানতে চাইলে হামীম বলেন, ‘একটি আমার আসল এনআইডি কার্ড আর অন্য দুটি গার্লফ্রেন্ড নিয়ে হোটেলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করেছিলাম। এ ছাড়া তারেক রহমানকে দেখার জন্য আমি কার্যালয়ের সামনে গিয়েছিলাম।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করলে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন এর বিরোধিতা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী বলেন, তারেক রহমানকে দেখার ইচ্ছা থাকলে গভীর রাতে এনআইডি কার্ড ও চেক বই নিয়ে ঘোরাফেরা করবেন কেন? তাঁকে রিমান্ডে নিলে প্রকৃত তথ্য উদ্ধার হবে।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নাশকতা বা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে লিপ্ত হওয়ার উদ্দেশ্যে আসামি ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। নিজের ছবি ব্যবহার করে তিনটি ভিন্ন এনআইডি কার্ড বহন করা গুরুতর অপরাধ। মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটনে তাঁকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
৪৩ মিনিট আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে