তিতাসে লঞ্চের ছাদে ডিজে নাচ করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে ৬ কিশোর আহত হয়েছে এবং নদীতে পড়ে গিয়ে দশ বছর বয়সের শামীম নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে তিতাস নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার দড়িকান্দি ব্রিজের পশ্চিম পাশে তিতাস নদীর ওপর দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
নিহত শামীম শিবপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে।
এলাকাবাসী জানান, ২০-৩০ জন কিশোর মিলে লঞ্চ ভাড়া এনে পিকনিকে যায়, তারা সবাই উপজেলার শিবপুর গ্রামের।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লঞ্চটি জব্দ করেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা নিখোঁজ শিশুটিকে উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। কিন্তু রাতে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। আজ সকালে শিশুটির মরদেহ নদীতে ভেসে উঠেছে।
সুধীন চন্দ্র দাস আরও বলেন, বেশ কয়েক দিন ধরে ফেসবুকে দাবি উঠে তিতাসে এ ধরনের নাচ গান বন্ধের। তাই আমি দুই দিন আগে তিতাস থানার ফেসবুক আইডি থেকে সচেতনতামূলক পোস্টও দিয়েছি যাতে কেউ নদীতে এ ধরনের নাচ গান না করে।
তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আবু ইউসুফ বলেন রাত আনুমানিক ১০টায় বিদ্যুতায়িত হয়ে ৬ জন কিশোর হাসপাতালে আসে। এদের মধ্যে শেখ ফরিদ মিয়ার ছেলে তানজিদ (২৩), শাহাব উদ্দিনের ছেলে মো. সুজন (১৮) ও আবদুর বারেক মিয়ার ছেলে শাহপরান (২০) এদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর বাকি তিনজন হেলাল মিয়ার ছেলে সিয়াম (১৭), আবুল কালামের ছেলে রাহিম (১৭) ও আবু তাহেরের ছেলে তামিম (১৪) এদের তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে