এক সপ্তাহের ব্যবধানে কক্সবাজারের উখিয়া রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ফের আগুন লেগেছে। আজ শনিবার বেলা ১টার দিকে উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ১৩ নম্বর তানজিমারখোলা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিস, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন, রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবক ও রোহিঙ্গারা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
৮ এপিবিএনের অধিনায়কও অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আমির জাফর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বেলা ১টার দিকে ক্যাম্পটির ডি-৩ ব্লকের কাঁঠালতলী বাজারে অগ্নিকাণ্ডের সূচনা হয়। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের বরাতে আমির জাফর বলেন, বাজারে আকস্মিক আগুন লেগেছে। মুহূর্তেই আগুন কাঁঠালতলী বাজারসহ ক্যাম্পের আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে এপিবিএন পুলিশ তাৎক্ষণিক উখিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে অবহিত করে। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেছে।
এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি জানিয়ে এপিবিএনের অধিনায়ক বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে কক্সবাজার, রামু ও টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে খবর দেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ মে একই বাজারে অগ্নিকাণ্ড হয়। এতে তিন শতাধিক বসতঘরসহ নানা স্থাপনা পুড়ে গেছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সাগর আহমেদ বলেন, ছাত্রশিবিরের এক নেতার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ভ্রূণ হত্যার মতো গুরুতর অভিযোগ থাকলেও সেগুলো আড়াল করার উদ্দেশ্যে অপহরণের গল্প প্রচার করা হয়েছে।
২৫ মিনিট আগে
এসআই মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ফজরের নামাজ পড়তে গিয়ে স্থানীয় মুসল্লিরা লতা ইউনিয়নের খালপাড়ে বিরিঞ্চী পদ মণ্ডলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁর মরদেহ শনাক্ত করে।
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে একটি মিনি ট্রাকের সঙ্গে আরেকটি বড় ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মিনি ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে মিনি ট্রাকের চালক আবু নাঈম খান ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
১ ঘণ্টা আগে
খুলনায় দিনমজুর মো. ডালিম গাজী হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মামলার একমাত্র অভিযুক্ত জয়নাল আবেদীন গাইন (৩৫)। মাত্র ২০০ টাকা ধারের বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২ ঘণ্টা আগে