
চট্টগ্রামের পটিয়ার ওমানপ্রবাসী জাফর হত্যা মামলার দায়িত্ব পাওয়ার দুই বছরে তদন্ত শেষ করতে পারেনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আদালতের কাছ থেকে ১২ বার সময় নিয়েও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সংস্থাটি।
মামলাটির বাদী ও নিহতের মামা আহমদ নবী তদন্ত নিয়ে সিআইডির বিরুদ্ধে গড়িমসির অভিযোগ তোলার পর আজ চট্টগ্রামের পঞ্চম বিচারিক হাকিম এম আব্দুল্লাহ খান সিআইডির কাছে তদন্তের অগ্রগতি জানতে চেয়েছেন।
শুনানির জন্য আদালত আগামী ১২ জানুয়ারি পরবর্তী দিন রেখেছেন বলে বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসান জানান।
তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ১২টি ধার্য তারিখ পার হলেও সিআইডি প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি। তদন্ত কর্মকর্তা একাধিকবার সময় চেয়ে নিয়েছিলেন। ফলে তদন্তের অগ্রগতি তলব করে আবেদন করা হয়।
বৃহস্পতিবার মামলার শুনানির সময় নিহতের মাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
মামলা নথি অনুযায়ী, উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের কথামৌজা গ্রামের মো. আবদুল আজিজের ছেলে মো. জাফর দীর্ঘদিন ওমানে ছিলেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর আগে ওমান থেকে তিনি দেশে ফেরেন। কিন্তু লকডাউনের কারণে আর বিদেশে ফিরতে পারেননি।
২০২০ সালের ২৯ জুলাই ৫০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে পুলিশ পরিচয়ে জাফরকে পটিয়ার নিজ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনার দুদিন পর চকরিয়া থানা থেকে লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য তাঁর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। ওই বছর ১৬ আগস্ট চকরিয়ার হারবাং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অপহরণ ও হত্যা মামলা করা হয়। আদালত সিআইডিকে মামলা তদন্তের নির্দেশ দেয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে