সংঘর্ষে আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা গেলেও আজ শুক্রবার বিষয়টি জানাজানি হয়।
মারা যাওয়া ব্যক্তির নাম আব্দুল মজিদ (২০)। তিনি একটি বাসের চালকের সহকারী ছিলেন। তাঁর বাড়ি খাগড়াছড়িতে।
চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম বলেন, ‘আব্দুল মজিদ এক বাসচালকের সহকারী ছিলেন।’
চমেকের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে জানান, গত ২০ জুলাই ভোর ৩টার দিকে আব্দুল মজিদকে চাঁদপুর থেকে চমেকে আনা হয়। ওইখানে সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে আহত হয়েছিলেন তিনি। শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে ওই দিনই নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। গতকাল দুপুরে তিনি মারা যান।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে