
চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানায় হামলা চালিয়ে অস্ত্র লুট, ভাঙচুর করে থানা পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতনামাসহ ৪০ হাজার আসামি দেখিয়ে মামলা করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার বিকেলে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রিপন কুমার দাশ বাদী হয়ে এ মামলাটি করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, ৫ আগস্ট হামলাকারীরা থানায় লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। এতে থানার গুরুত্বপূর্ণ নথি ও মামলার স্পর্শকাতর আলামত, পুলিশের যানবাহন পুড়ে গেছে। এ ছাড়া বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট করা হয়। হামলায় প্রায় ৮ কোটি ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম ওবায়েদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের পেনাল কোড আইনের বিবিধ ধারায়, বিস্ফোরক আইনের ১৯০৮–এর ৩/৬ ধারা ও বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ সনের ১৫(৩)/২৫-ডি ধারায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয় শেখ হাসিনার সরকার। এ সময় চট্টগ্রাম নগরের অন্য থানার পাশাপাশি কোতোয়ালি থানায় হামলার ঘটনা ঘটে এবং অস্ত্র লুট, ভাঙচুর করে থানা পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে