
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত সাত বছরের শিশু আরাধ্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার দুপুরের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে আরাধ্যকে ঢাকার উদ্দেশে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে সে হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, শিশুটির অবস্থা অবনতি হলে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। এরপরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাঁকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চিকিৎসকেরা জানান, শিশু আরাধ্যের মাথায় আঘাত লেগেছে। শরীরের অন্যান্য স্থানেও জখম হয়েছে। মাঝেমধ্যে তার জ্ঞান ফিরলেও অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালের মালিক আরাধ্যের চিকিৎসা ব্যয়ভার বহন করছেন।
এর আগে ২ এপ্রিল সকাল ৭টার দিকে লোহাগাড়ার জাঙ্গালিয়া চুনতি বন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে চট্টগ্রামমুখী বাস ও কক্সবাজারমুখী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে ও হাসপাতালে মারা যান ১০ জন। এই ঘটনায় শিশু আরাধ্যসহ আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিনই চমেক হাসপাতালে আনা হয়।
আজ ১৮ বছর বয়সী তরুণী তাসনিয়া ইসলাম প্রেমা নামে আহতদের একজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে তাঁর মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই দুর্ঘটনায় শিশু আরাধ্য ও আজ মারা যাওয়া প্রেমা দুজনই পরিবারের সব সদস্যকে হারিয়েছেন।
দুর্ঘটনায় দুটি পরিবারের সব সদস্যই অকালে মৃত্যুবরণ করায় শোকে বাকরুদ্ধ চট্টগ্রামবাসী।
পুলিশ জানায়, নিহতরা ঈদের ছুটিতে দুটি মাইক্রোবাসে করে কক্সবাজার ভ্রমণের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। পথিমধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে