
চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর মিছিল নিয়ে নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণকালে আজ শনিবার সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের বাসভবন, ট্রাফিক পুলিশ বক্স, যানবাহনসহ বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা–ভাঙচুর এবং এক সংসদ সদস্যের নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ হয়। এ হামলার পর রাত ৮টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু, চট্টগ্রাম বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, বিএনপি নেতা মীর হেলাল ও এরশাদ উল্লাহর বাসায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ হয়েছে।
নগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইদ্রিস আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুলিশকে সঙ্গে অস্ত্র হাতে ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু, বিএনপি নেতা মীর হেলাল ও এরশাদ উল্লাহর বাসা বাড়িতে ভাঙচুর ও আগুন দিয়েছে।’
ডা. শাহাদাত হোসেনের বাসা নগরের পাঁচলাইশ থানার বাদশা মিয়া সড়কে। সেখানে এখন টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিস রয়েছে। ভাঙচুরের ঘটনায় সাংবাদিকেরা বেশ আতঙ্কে ছিলেন। মেহেদীবাগে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাসা ও গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া মেডিকেলের পাশে মীর হেলালের বাসায়ও হামলা করা হয়েছে।
বিকেল সোয়া ৫টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর নিউমার্কেট চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে আন্দোলনকারীরা টাইগারপাস, জিইসি মোড় ও বহদ্দারহাটে সমাবেশ করেন। সন্ধ্যা ৬টার দিকে ২ নম্বর গেটে শিক্ষামন্ত্রীর বাসায় হামলা করা হয়। এর পরপরই বহদ্দারহাটে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংঘর্ষ হয়। এতে চারজন গুলিবিদ্ধ হন।
চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আহত চারজনই ছররা গুলিতে বিদ্ধ হয়েছেন। তাদের অবস্থা মোটামুটি ভালো।’
এর আগে বিক্ষোভ সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহসমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খান তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, ‘রক্ত দিয়েছি, খুনিদের সঙ্গে কোনো আপস নয়। খুনিদের সঙ্গে কোনো বৈঠক নয়, কোনো আলাপ নয়। আমাদের আলাপ পরিষ্কার; দফা এক, দাবি এক—শেখ হাসিনার পদত্যাগ।’
রাফি বলেন, ‘এটা কোনো বক্তৃতার মঞ্চ নয়, আমরা বক্তৃতা দিতে আসিনি। গল্প বলতে চাই না, আপনারা সবই জানেন। গতকাল বলেছিলাম একটা বুলেট চালাবেন না, ফলাফল ভালো হবে না। কিন্তু আপনারা আমাদের কথা শুনেননি। আপনারা ঢাকা, সিলেট, রংপুরে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে আমার ভাইদের হত্যা করেছেন।’
আরও পড়ুন:

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে