
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় মেঘনা নদীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে জেলেদের দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এতে দুই জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তাঁদের নোয়াখালী সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গেছে।
এদিকে ঘটনার পর থেকে পাঁচ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন জেলেরা। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ভাসানচরসংলগ্ন ঠেঙ্গারচর এলাকায় গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধরা হলেন সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ গ্রামের ভুলু মাঝির ছেলে জিল্লুর রহমান (২৬) এবং একই উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চর তরাব আলী গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে নূর আলম মিয়া (২৮)।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন রাজু, জুয়েল, আব্দুর রহমান, হোসেন ও ইসমাইল।
ভুক্তভোগী জেলেরা অভিযোগ করে বলেন, সুবর্ণচর উপজেলার মাইন উদ্দিন মাঝি ও অলি মাঝি মেঘনা নদীর সন্দীপ ও ঠেঙ্গারচর অংশে দীর্ঘদিন ধরে মাছ শিকার করে আসছেন। কিছুদিন আগে মেঘনা নদীর মাছ শিকারের এই খোপ দখলের চেষ্টা চালান সুবর্ণচরের কেফায়েত মেম্বার। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কেফায়েত মেম্বারের লোকজন ঠেঙ্গারচর এলাকার ওই খোপ দখল করতে যায় এবং জেলেদের জাল কেটে দেয়। খবর পেয়ে দুটি মাছ ধরার ট্রলার নিয়ে সেখানে যায় মাইন উদ্দিন ও অলি মাঝির লোকজন। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে মাইন উদ্দিন ও অলি গ্রুপের দুজন গুলিবিদ্ধ হন। পরে ভাসানচর ও সন্দীপ কোস্ট গার্ড ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উভয় পক্ষই পালিয়ে যায়। তবে ঘটনার পর থেকে পাঁচজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
এ ঘটনায় ভাসানচর কোস্ট গার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগে সংঘর্ষকারীরা পালিয়ে যায়।’
হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিসান আহমেদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মেঘনায় দুই পক্ষের গোলাগুলির খবর আমরা পেয়েছি। দুজন গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবরও পেয়েছি। তবে কোনো পক্ষ থেকে আমাদের কাছে অভিযোগ আসেনি।’

যশোরের মনিরামপুরে আরিফ হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ মাছের ঘেরে ফেলে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার বালিধা এলাকার মাঠে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সকালে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে।
৬ মিনিট আগে
নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে