
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের রূপসী ঝরনার কূপ থেকে দুই পর্যটকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাত ৯টার দিকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন বেলা ৩টা থেকে তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। মিরসরাই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর মরদেহগুলো উদ্ধার করেন। মিরসরাই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ইমাম হোসেন পাটোয়ারি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মারা যাওয়া পর্যটকেরা হলো চট্টগ্রাম শহরের ফিরোজ শাহ এলাকার মোহাম্মদ জামিলের ছেলে নুরুল আবছার (১৬) ও একই এলাকার জসীম উদ্দিনের ছেলে আরিফুল ইসলাম আরিফ (১৭)। আবছার স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্র ও আরিফ ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী ছিলেন।
আবছারের বড় ভাইয়ের স্ত্রী পলি আক্তার বলেন, রোববার সকালে আকবর শাহ এলাকা থেকে ওরা ৯ বন্ধু মিরসরাইয়ের রূপসী ঝরনায় ঘুরতে যায়। সন্ধ্যায় জানতে পারি আবছার ও আরিফকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে রাত ৯টায় খবর আসে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিন ভাইয়ের মধ্যে আবছার সবার ছোট।
আবছার ও আরিফের বন্ধু মোহাম্মদ আরমান বলেন, ‘রোববার সকালে আমরা ৯ বন্ধু চট্টগ্রাম শহর থেকে বড়কমলদহ রূপসী ঝরনা দেখতে আসি। সবাই মিলে ঝরনার ওপরে উঠেছি। ঝরনা থেকে নামার সময় বেলা সাড়ে ৩টায় আবছার ও আরিফকে দেখতে না পেয়ে আশপাশে অনেক খোঁজাখুঁজি করেছি। পরে বিষয়টি টিকিট কাউন্টারে জানানোর পর তারা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে ঝরনার কূপ থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করেন।
মিরসরাই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা ইমাম হোসেন পাটোয়ারি বলেন, ‘রূপসী ঝরনায় দুই পর্যটক হারিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। এরপর অভিযান চালিয়ে ঝরনার কূপ থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’ তিনি আরও বলেন, ধারণা করা হচ্ছে, সাঁতার না জানার কারণে ঝরনা থেকে কূপের পানিতে পড়ে ডুবে মারা গেছেন তাঁরা।
মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, খবর পেয়ে লাশ দুটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে পরিবারের লোকজনের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে