
চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের ভেতরে-বাইরে দীর্ঘ যানজটে আটকা পড়ে শতাধিক গাড়ি। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়।
টানেল ঘুরতে আসা দর্শনার্থীরা বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে প্রায় সাড়ে ৭টা পর্যন্ত টানেলের ভেতরে-বাইরে অসংখ্য গাড়ি আটকা পড়ে। অনেকে টানেলের ভেতরে হেঁটেও পতেঙ্গা প্রান্তে বা আনোয়ারা প্রান্তে যান। আজ ছুটির দিনে গাড়ির বাড়তি চাপের কারণে এ যানজটের সৃষ্টি হয় বলে তাঁরা জানান।
এ বিষয়ে এখানকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা টানেলের সহকারী প্রকৌশলী (টোল ও ট্রাফিক) তানভির রিফার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জহির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘টানেলের ভেতরের দায়িত্ব আমাদের নেই। আমরা টানেলের বাইরের প্রান্তের দায়িত্বে রয়েছি।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে