চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত বুধবার রাতে নগরীর পতেঙ্গার স্টিল মিল বাজারে এই ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর তাঁকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পতেঙ্গা থানার পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলার অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার মো. ইব্রাহীমের (৪৪) বাড়ি পটিয়া উপজেলায় হলেও তিনি নগরের পতেঙ্গার স্টিল মিল বাজার এলাকায় থাকেন। পুলিশ বলছে, পতেঙ্গার খেজুরতলা এলাকার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন ইব্রাহীম। সেখান থেকে চাকরিচ্যুত হয়ে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন।
এ বিষয়ে পতেঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইমরান হোসেন বলেন, ‘শিশুটিকে ইব্রাহীম প্রাইভেটে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন। সে সকালে তাঁর কাছে পড়তে গেলেও গত কয়েক দিন ধরে রাতে আসতে বলা হয়। বুধবার রাতে ওই শিশু তাঁর কাছে পড়তে যায়। সে সময় তিনি শিশুটিকে বলাৎকার করেন বলে পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ।’
ঘটনার পর স্থানীয়রা ইব্রাহীমকে আটকে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁকে হেফাজতে নেয়। এ ঘটনায় শিশুটির পরিবার বৃহস্পতিবার তাঁর বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে বলে জানান এসআই ইমরান হোসেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে