
মালয়েশিয়ায় তিনতলা ভবন থেকে পড়ে আবু মশিউর রহমান কাকন (২৩) নামের এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুরে একটি ভবনে কাজ করার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কাকন মিরসরাই উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ ভূঁইয়া গ্রামের রশিদ মাঝি বাড়ির আবুল বশরের ছেলে।
ইছাখালী এলাকার বাসিন্দা মোস্তাফিজুর রহমান পিন্টু বলেন, ‘জীবিকার তাগিদে এক বছর আগে মালয়েশিয়া যায় কাকন। অনেক পরিশ্রমী ছেলে সে। কাজ করার সময় শুক্রবার অসাবধানতাবশত তিনতলা থেকে নিচে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।’
মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, ছেলেকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ মা-বাবা। এখন শুধু শেষবারের মতো ছেলের মরদেহ দেখার প্রহর গুনছেন। মরদেহ দেশে আনতে আরও কয়েক দিন লাগবে।
ইছাখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আশরাফ উদ্দিন রাকিব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘খবরটি শুনে খুব খারাপ লাগছে। জীবিকার তাগিদে কাকন বিদেশে গিয়ে দুর্ঘটনায় মারা গেল। মরদেহ দেশে আনতে পরিষদ থেকে ডকুমেন্টের প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করব।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে