চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের ভেতর আবারও পণ্যবাহী ট্রাকের ধাক্কায় আহত হয়েছেন দুইজন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে টানেলের ডেকোরেশন বোর্ড।
আজ সোমবার রাতে পণ্যবাহী ট্রাকটি চট্টগ্রাম নগরী থেকে আনোয়ারা প্রান্তে যাওয়ার পথে টানেলের ভেতর এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় গাড়ির চালক ও হেলপার গুরুতর আহত হয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পণ্যবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে টানেলে ধাক্কা লাগে। এতে টানেলের ডেকোরেশন বোর্ড ভেঙে ট্রাকের সামনে অংশও ভেঙে যায়। এ সময় ট্রাকটির ড্রাইভার ও হেলপার গুরুতর আহত হন। আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী (টোল-ট্রাফিক) তানভীর রিফা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পণ্যবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে টানেলের ধাক্কা দেয়। এতে টানেলের ডেকোরেশন বোর্ড ভেঙে যায়। তাৎক্ষণিক টানেলের নিরাপত্তাকর্মীরা ট্রাকটি জব্দ করেন এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।’
এরআগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাতটার দিকে টানেলের ভেতরে একে একে চারটি গাড়ির সংঘর্ষ হয়।
আরো পড়ুন :

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে