চট্টগ্রাম শহরের ডবলমুরিং এলাকায় স্ত্রী হত্যা মামলায় মো. সজীবকে (৩৩) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার চট্টগ্রাম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নারগিস আক্তার আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া আসামি সজীবের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর থানার কড্ডা গ্রামে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ফরিদ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, আসামির হাজতবাস কালীন সময় থেকে তাঁর সাজার মেয়াদ কাটা হবে।
এজাহার থেকে জানা গেছে, ২০১৬ সালে ৬ অক্টোবর ডবলমুরিং থানাধীন মৌলভি পাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় খুন হন সোহানা আক্তার। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর থানার আব্দুল কুদ্দুসের মেয়ে। ওই ঘটনার পর স্বামী সজীব পলাতক থাকেন। পরে নিহতের বাবা আব্দুল কুদ্দুস বাদী হয়ে ডবলমুরিং থানায় সজীবকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
২০১৭ সালে ২৮ জানুয়ারি সজীবকে একমাত্র আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন ডবলমুরিং থানার পুলিশ। ওই বছর ২২ আগস্ট আদালত আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার কাজ শুরু করেন। এই মামলায় ১৩ জন সাক্ষ্য দেন বলে এজাহার থেকে জানা গেছে।

২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেল ৫টায় নিউমার্কেটের ১নং গেটের সামনে গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ। জুলাই আন্দোলনের মিছিল সমাবেশে গুলিতে ওই সময় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গু হন।
১৮ মিনিট আগে
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়ার সান্তাহার থেকে ছেড়ে আসা পদ্মরাগ ট্রেনটি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জের দেওয়ানতলা ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে এক নারী চলন্ত ট্রেনে নিচে লাফ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে একটি অনলাইন প্রতারক চক্র ভুক্তভোগী বাদীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ করেন। এরপর তারা বিভিন্ন ধাপে টাকা বিনিয়োগ করতে উদ্বুদ্ধ করে।
১ ঘণ্টা আগে
সকালে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ করলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় দুপক্ষের ১০ জন আহত হয়। ভাঙচুর ও লুটপাট চলে ১২টি বসতঘরে।
২ ঘণ্টা আগে