
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় খাদেরগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ঢালীর (৫৮) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বেলতী গ্রামে নিজের বাড়ির পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নজরুল ইসলাম ঢালী ওই ইউনিয়নের বেলতী গ্রামের ঢালী বাড়ির মৃত রুস্তম আলী ঢালীর ছেলে। তিনি বেশ কয়েক বছর খাদেরগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার আগে তিনি ঠিকাদারি ব্যবসা করতেন।
দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ বিভাগ) রাশেদুল হক চৌধুরী ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) চাঁদপুরের একটি দল।
পরিবারের দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।
পরিবার, পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গতকাল সোমবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়ে নজরুল ইসলাম আর ফেরেননি। রাত ১২টার সময় স্ত্রী জেসমিন আক্তার ও ছেলে জামিউল ইসলাম তাঁর মোবাইলে অনেকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি তিনি। খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও তাঁর সন্ধান পাননি স্বজনেরা।
আজ মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাড়ির পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়ির রডের সঙ্গে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
নিহত নজরুল ইসলাম ঢালীর স্ত্রী জেসমিন আক্তার ও ছেলে জামিউল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে নজরুল ইসলাম ঢালীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরে লাশ ঝুলিয়ে আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। যে চিকন রশি দিয়ে লাশটির গলা ঝোলানো, তা দিয়ে আত্মহত্যা সম্ভব নয়। এ ছাড়া লাশের পা মাটিতে লাগানো ছিল।
পিবিআই চাঁদপুর কার্যালয়ের উপপরিদর্শক (এসআই) কবির হোসেন বলেন, ওই ব্যক্তির পায়ের ওপরের অংশে ছেঁছড়ানো দাগ রয়েছে। আর কোনো অংশে আঘাতের চিহ্ন নেই। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহম্মেদ বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’
ওসি আরও বলেন, ‘এটি একটি রহস্যজনক মৃত্যু। এটি হত্যা, নাকি আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। পিবিআইসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি তদন্ত করছেন।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে