
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় ছেলের দায়ের কোপে আব্দুল খালেক (৭০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার বাইছারা গ্রামে নোয়াপাড়া প্রধানীয়া বাড়িতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ ঘটনায় ছেলে মো. হোসাইনকে (৩৫) আটক করা হয়েছে। নিহতের বড় ছেলে নোমান সরকার জানান, বিকেলে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বাবা আব্দুল খালেকের সঙ্গে হোসাইনের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে ঘরে থাকা ধারালো দা দিয়ে বাবাকে কোপাতে থাকেন হোসাইন। এতে ঘটনাস্থলেই আব্দুল খালেকের মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন বলেন, ‘খবর পেয়ে এসে দেখি, লাশ রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। এমন ঘটনা আমাদের এলাকায় আগে কখনো ঘটেনি। হত্যাকারীর বিরুদ্ধে অবশ্যই দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা হওয়া উচিত।’
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম জানান, বাবাকে হত্যা করে পালানোর সময় স্থানীয়রা হোসাইনকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হোসাইনকে আটক করে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে