বগুড়া: বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার বিকেলে হাসপাতালের অক্সিজেনের হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শজিমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, অক্সিজেনের হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা গরম হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খুব দ্রুত সময়েই আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। হাসপাতালের কোনো রোগীর ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে ওই যন্ত্রটি (অক্সিজেনের হাই-ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা) নষ্ট হয়ে গেছে।
বগুড়া ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক আব্দুল হামিদ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে দমকল কর্মীরা ছুটে যান। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই হাসপাতালের লোকজন অগ্নি নির্বাপণ যন্ত্রের সাহায্যে আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে