ভোলার লালমোহনে বাসচাপায় শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।
আজ রোববার বেলা ১১টার দিকে ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের লালমোহন উপজেলার লাঙ্গলখালী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
লালমোহন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনায়েত হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিশু মো. হাসান (৭) লালমোহন পৌর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ভুট্টো মিয়ার ছেলে এবং মো. জব্বার হোসেন (৫৫) একই উপজেলার পৌর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। নিহত দুজনই পথচারী ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ডাইরেক্ট সিটিং সার্ভিস নামে একটি বাস চরফ্যাশন থেকে ভোলায় যাচ্ছিল। বাসটি লালমোহনের লাঙ্গলখালী নামক জায়গায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারীদের চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এ ছাড়াও এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে নান্টু নামে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানোর কার্যক্রম চলছে। ঘটনার পর গাড়িটি রেখে চালক পালিয়ে গেছে।
পরিদর্শক (তদন্ত) এনায়েত হোসেন জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুসহ দুজন নিহত হয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে