
ভোলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে মো. জসিম (৪৫) নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। তিনি ছাতা মেরামতকারী। আজ রোববার বেলা দেড়টার দিকে ভোলা পৌরসভা রোডের মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটসংলগ্ন এলাকায় তাঁর দোকান বন্ধ করাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান। ভোলা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সালাউদ্দিন লিংকন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জসিমের ভাই সবুজ বলেন, জসিমের বাড়ি পৌর এলাকার কালীবাড়ি রোড আমতলার মোড়ে।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টায় কোটা আন্দোলনকারীরা নতুন বাজার চত্বরে জড়ো হন। একপর্যায়ে বাংলা স্কুল মোড় থেকে নতুন বাজার চত্বর তাঁরা দখল করে নেন। পরে গোটা শহরে ছড়িয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। একপর্যায়ে নতুন বাজার চত্বরে শত শত আন্দোলনকারীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষকালে ভোলা পৌরসভা, আওয়ামী লীগ কার্যালয়, শ্রমিক লীগ কার্যালয়, সেচ্ছাসেবক লীগ কার্যালয়, তাঁতী লীগ কার্যালয়, মুক্তিযোদ্ধা ভবন ভাঙচুর ও আগুন দেন বিক্ষুব্ধরা।
এ সময় ডিসি অফিস চত্বর, পৌরসভা চত্বরের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন চত্বরে আগুন দিয়ে অন্তত ২৫ থেকে ৩০টি বাইক পুড়িয়ে দেওয়া হয়।
ভোলা সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত মৃত্যুর তথ্য তিনি নিশ্চিত করতে পারছেন না। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে রয়েছেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে