বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় শৌচাগার থেকে জীবিত এক নবজাতককে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাদেকপুর ইউনিয়নের সাদেকপুর গ্রামে কান্না শুনতে পেয়ে শৌচাগার থেকে নবজাতকটি উদ্ধার করা হয়। তবে শিশুটির মা-বাবার খোঁজ মেলেনি।
মেহেন্দীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিয়াজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সাদেকপুর গ্রামের বাসিন্দা মতিন হাওলাদার জানান, ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তিনি মসজিদে যাচ্ছিলেন। ওই সময় রাস্তার পাশে একটি শৌচাগার থেকে শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। সেখানে কাউকে দেখতে না পেয়ে তিনি শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে বিষয়টি আশপাশের লোকজন এবং উপজেলা প্রশাসনকে জানান।
মতিন হাওলাদার দুপুরের দিকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কেউ নবজাতকের বাবা-মা দাবি করেননি। সদ্যোজাত শিশুটিকে কে বা কারা শৌচাগারে ফেলে গেছে, তা জানা যায়নি। পরিচয় পাওয়া গেলে শিশুটিকে হস্তান্তর করা হবে। অন্যথায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিদ্ধান্ত দেবেন।’
ইউএনও রিয়াজুর রহমান বলেন, স্থানীয় এক বাসিন্দা শৌচাগার থেকে নবজাতক উদ্ধার করার বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছেন। কেউ দাবি না করলে শিশুটিকে সরকারি নিবাসে কিংবা দত্তক দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে