
কুয়াকাটায় একটি খাবারের হোটেলে খেতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েন একদল শিক্ষার্থী। তাঁদের কাছ থেকে মেন্যুতে উল্লেখিত দামের চেয়ে বেশি টাকা দাবি করা হয়। এ নিয়ে তর্কাতর্কি হলে এক শিক্ষার্থী কল করেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে। এ বিষয়ে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেয় টুরিস্ট পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় এ ঘটনা ঘটে। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর পরিদর্শক (মিডিয়া) আনোয়ার সাত্তার।
আনোয়ার সাত্তার বলেন, গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একদল শিক্ষার্থী পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। একটি হোটেলে তাঁরা দুপুরের খাবার খান। বিল দিতে গিয়ে দেখেন, যে মেন্যু দেখে তাঁরা খাবার অর্ডার করেছিলেন, এর থেকে বেশি মূল্য দেখিয়ে বিল করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীরা মেন্যুতে উল্লেখিত দামের চেয়ে বেশি টাকা দেবেন না বলে জানান। অন্যদিকে মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে হোটেল মালিক মেন্যুতে উল্লেখিত দামের চেয়ে বেশি টাকা ছাড়া বিল নিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে সেখানে মৃদু হট্টগোল তৈরি হয়। এমন তথ্য জানিয়ে আইনি সহায়তা চেয়ে এক শিক্ষার্থী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল করে অভিযোগ দেন।
কলটি রিসিভ করেছিলেন ৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল আনিসুর রহমান। কনস্টেবল আনিস তাৎক্ষণিকভাবে কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশে বিষয়টি অবহিত করেন। ৯৯৯ ডিসপাচার এএসআই সাইফুল টুরিস্ট পুলিশ ও কলারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে খোঁজখবর নিতে থাকেন।
সংবাদ পেয়ে কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতে হোটেল মালিক খাদ্যতালিকায় উল্লেখিত দামের সমপরিমাণ টাকা নিতে রাজি হন এবং পুরো ঘটনার জন্য ক্ষমা চান।
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা লিখিত অভিযোগ দিতে রাজি না হওয়ায় হোটেল মালিকের কাছ থেকে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত বিল না নেওয়ার বিষয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়।
ঘটনাস্থলে যাওয়া কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশ দলের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সায়াতুল ইসলাম ৯৯৯-কে এসব বিষয় নিশ্চিত করেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে