
বরিশাল বিএম কলেজে ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক সাগর মৃধাসহ (২৩) তিনজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাতে নগরীর কলেজ অ্যাভিনিউ পুকুর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে সাগর মৃধা ও তাঁর দুই বন্ধু বাসায় যাচ্ছিলেন। এ সময় আগে থেকেই ওত পেতে থাকা কালা মাসুদসহ ২০–২৫ জন তাঁদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। তাঁদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে বিএম কলেজের সমন্বয়ক জিয়াউর রহমান নাঈম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সন্ত্রাসী কালা মাসুদের নামে হত্যা, ডাকাতিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এ রকম একটা সন্ত্রাসী কীভাবে প্রকাশ্যে থাকে?’
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কোপানোর ঘটনা শুনেই ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠিয়েছি। কালা মাসুদকে গ্রেপ্তার করতে আমাদের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে