
ঢাকা-বরিশাল লঞ্চের কেবিনে যাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে সুমন সিপাই (৩০) নামক এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. ইয়ারব হোসেন এ দণ্ডাদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সুমন পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার মৃত মানিক সিপাইয়ের ছেলে। তিনি সুরভী-৪ লঞ্চের কর্মচারী ছিলেন। ওই লঞ্চের কর্মচারী কেবিনে এক পোশাককর্মী তরুণী ঢাকা থেকে বরিশালগামী যাত্রী ছিলেন। ২০১৯ সালের ১৯ জুলাই রাতে ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হন ওই তরুণী।
পরদিন সকালে অজ্ঞাত পরিচয়ে কেবিন থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বাকেরগঞ্জের পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের বড় পুইয়াডাটা গ্রামের মো. বজলু ব্যাপারী মরদেহটি তাঁর মেয়ে আঁখি আক্তারের বলে শনাক্ত করেন। আঁখি ঢাকায় স্বামীর সঙ্গে থাকতেন।
মামলার এজাহারে বজলু ব্যাপারী উল্লেখ করেন, জাতীয় পরিচয়পত্র করার জন্য আঁখি ঢাকা থেকে লঞ্চে বরিশালে রওনা হয়েছিলেন। সুমন সিপাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর তাঁর (সুমন) কেবিনে থাকতে দেয়। পরে রাতে কেবিনে ঢুকে আঁখিকে ধর্ষণ করেন সুমন। এ সময় আঁখি চিৎকারের চেষ্টা করলে তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সুমনকে একমাত্র আসামি করে মামলার অভিযোগপত্র দিয়েছিলেন।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে