
বরগুনার বেতাগীতে সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে নাসিমা বেগম (৫৫) নামে এক বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) দিবাগত রাতে উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়নের আয়লা চান্দখালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নাসিমা বেগমের স্বামী আব্দুল হাই ২০ বছর আগে মারা যান। গত ১০ বছর যাবৎ তিনি আয়লা চান্দখালী গ্রামে বাবার বাড়িতে একাই বসবাস করতেন।
বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নাসিমা ও আব্দুল হাই দম্পতির তিন কন্যা সন্তান রয়েছে। তাঁরা তাদের পরিবার নিয়ে খুলনায় থাকেন। নাসিমার স্বামী প্রায় ২০ বছর আগে মারা যান। এরপর নাসিমা আরেকটি বিয়ে করলেও তা বেশি দিন টেকেনি। তারপর থেকে তিনি প্রায় ১০ বছর যাবৎ নিজ বাবার বাড়িতে একা বসবাস করতেন।
বৃহস্পতিবার ভোরে নাসিমার চাচাতো ননদ মমতাজ বেগম বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ঘরের দরজা খোলা দেখে তাঁকে খুঁজতে থাকেন। এ সময় তিনি ঘরের পেছনে সিঁধ কাটা দেখে প্রতিবেশীদের খবর দেন। প্রতিবেশীরা ঘরে ঢুকে নাসিমার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

নিহতের চাচাতো ননদ মমতাজ বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি সকালে ফজর নামাজের পর হাঁটতে বের হয়ে দেখি ভাবির ঘরের দরজা খোলা। এ সময় তাঁকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ঘরের পেছনের দিকে গিয়ে দেখতে পাই সিধঁকাটা। তারপর আমি বাড়ির অন্যদের ডাক দিলে তারা এসে ঘরের ভেতরে ভাবির মরদেহ দেখতে পায়।’
নাসিমার ফুপাতো ভাই মো. নেছার উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার বোন দীর্ঘদিন যাবৎ এই বাড়িতে একা থাকতেন। আমি মাঝেমধ্যে এসে তার ঘরের বাজার করে দিয়ে যেতাম। সকালে ফোনে খবর পাই কারা যেন তাঁকে মেরে ঘরের মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। তার ঘরে অনেক স্বর্ণালংকার ছিল। এসে দেখি কিছুই নাই।’
এ বিষয়ে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিহত নাসিমা এই ঘরে একা বসবাস করতেন। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে দুষ্কৃতকারীরা তার স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান জিনিসপত্র নেওয়ার জন্য ঘরের সিঁধ কেটে ঢুকে তাঁকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। লাশের ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।’

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে