
বান্দরবানের লামা উপজেলায় লাকড়িবোঝাই একটি ট্রাক প্রায় ২০০ ফুট গভীর পাহাড়ি খাদে পড়ে চালকসহ দুজন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী-লামা সড়কের ইয়াংছা টার্নিং পয়েন্ট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন ইয়াংছা কালিরঝিরি এলাকার ট্রাকচালক মো. আলমগীর (৩৫) এবং পোয়াং বাড়ী এলাকার আনোয়ার হোসেন (৪৫)। আহত হয়েছেন ঠান্ডাঝিরি এলাকার পুতিয়া নামের এক ব্যক্তি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের বনপুর এলাকা থেকে অবৈধভাবে লাকড়ি বোঝাই করে ট্রাকটি ইয়াংছার দিকে যাচ্ছিল। পথে ইয়াংছা টার্নিং পয়েন্টে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ট্রাকটি প্রায় ২০০ ফুট নিচে খাদে পড়ে যায়। এতে ট্রাকে থাকা চালক মো. আলমগীর ও আনোয়ার হোসেন গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ১টার দিকে চিকিৎসক মো. আলমগীর ও আনোয়ার হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই বিষয়ে লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, শুক্রবার সকালে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ভ্রমণপিপাসুদের অন্যতম আকর্ষণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেট। ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ সাত দিনের ছুটিতে পর্যটক বরণের অপেক্ষায় সবুজ চা-বাগান, পাহাড়, ঝরনা, ভেসে আসা পাথর আর স্বচ্ছ জলরাশি। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে আরও অপরূপ সাজে সেজেছে শুষ্ক চা-বাগান, ঝরনা ও পাথরের নদী।
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে দিনদুপুরে শীতলক্ষ্যা নদী তীরের মাটি লুট করে নিয়ে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা। ডাম্প ট্রাক ও ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে এসব মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়। সেখান থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে তারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটিখেকো চক্র অনেক প্রভাবশালী। আর প্রশাসনও এদের বিরুদ্ধে কোনো কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
১ ঘণ্টা আগে
নরসিংদী জেলার আরগীনগর মোড়ে গেলেই প্রথমেই নাকে ভেসে আসে একধরনের তীব্র আঠার গন্ধ। চারপাশে তাকালেই দেখা যায়, বিভিন্ন শিল্পকারখানার বাইরে ছোট ছোট কারিগরদের হাতে তৈরি হচ্ছে জুতা। সেই জুতার আঠার ঘ্রাণই যেন জানান দেয়—এখানে এখনো টিকে আছে ঐতিহ্যবাহী হাতে তৈরি জুতার কারখানা।
১ ঘণ্টা আগে
এবারের ঈদে সাত দিনের ছুটি পাচ্ছেন সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা। আর ঈদের ছুটিতে বাড়তি পর্যটকের চাপ সামাল দিতে পর্যটননগরী কক্সবাজারে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। রমজানে হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট ও কটেজগুলোতে কক্ষ ভাড়ায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিয়েও পর্যটক পাওয়া যায়নি।
৩ ঘণ্টা আগে