তিয়ানজিন প্রাকৃতিক ইতিহাস জাদুঘর চীনের তিয়ানজিন শহরে অবস্থিত। এটি হেক্সি জেলায়, ৩১ ইউই রোডে অবস্থিত। ১৯১৪ সালে এটি হোয়াংহো পাইহো জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। জাদুঘরটির তিনটি তলা রয়েছে এবং এটি প্রায় ১২ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। বর্তমানে এখানে ৩ লাখ ৮০ হাজারের বেশি ভূতাত্ত্বিক ও জীববৈজ্ঞানিক নমুনা সংরক্ষিত আছে। জাদুঘরটি ১৯১৪ সালে এমিল লিসঁ প্রতিষ্ঠা করেন এবং তখন এর নাম ছিল হোয়াংহো পাইহো জাদুঘর। প্রতিষ্ঠার পরের ২৫ বছর এমিল লিসঁ হলুদ ও হাইহে নদীর অববাহিকায় গবেষণা অভিযান পরিচালনা করেন। মোট ৫০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই অভিযানে তিনি ২ লাখের বেশি জীবাশ্ম, প্রাণী, উদ্ভিদ, প্রাচীন মানব ও শিলার নমুনা সংগ্রহ করেন।
পরবর্তীকালে হোয়াংহো পাইহো জাদুঘরের নাম পরিবর্তন করে নর্দার্ন বর্ডার মিউজিয়াম রাখা হয়। ১৯৫২ সালের জুন মাসে তিয়ানজিন পিপলস সায়েন্স মিউজিয়াম প্রস্তুতি কমিটি গঠনের পর তিয়ানজিন পিপলস সায়েন্স মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা ১৯৫৭ সালে নাম পরিবর্তন করে তিয়ানজিন নেচার মিউজিয়াম রাখা হয়।
১৯৭৪ সালের জানুয়ারিতে আবার এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় তিয়ানজিন ন্যাচারাল মিউজিয়াম।

স্মৃতিচারণা করে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক বলেন, ‘যতদূর মনে পড়ে তখন দুটো-আড়াইটা হবে। ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ এবং পরিষদ ভবনসংলগ্ন এলাকা তখন ধোঁয়াচ্ছন্ন রণক্ষেত্র। মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ১নং রুম কন্ট্রোল রুমে পরিণত হয়। মাওলানা তর্কবাগীশ, ধীরেন দত্ত, শামসুদ্দীন ও কংগ্রেস পার্টির সদস্যরা পরিষদ বয়কট...
২ দিন আগে
সাঈদ হায়দার স্মৃতিচারণা করেছেন এভাবে: ‘দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো, সংঘর্ষের তীব্রতা কমল না। প্রতিবাদমুখর ছাত্র-জনতাকে পুলিশ লাঠি চালিয়ে শান্ত করতে পারল না। তারা গুলি চালালো, গুলি চালালো মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের সামনের রাস্তায়। জব্বার আর রফিক প্রাণ হারালো।
৪ দিন আগে
মোহাম্মদ সুলতান ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী এবং একুশের প্রথম সংকলনের প্রকাশক। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যেকোনো মূল্যে ১৪৪ ধারা ভাঙতে হবে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য আমরা রাত ১টায় ফজলুল হক হল ও ঢাকা হলের মধ্যবর্তী সিঁড়িতে এক বৈঠকে মিলিত হই।
৯ দিন আগে
২১ ফেব্রুয়ারির আগে-পরের বছরগুলোজুড়ে নানা কিছু ঘটছিল। এখন এসে দিনগুলোতে ফিরে গেলে শিহরণ বোধ করি, বাংলা ভাষা নিয়ে এখন কিছু হতে দেখলে সেসব দিনে ফিরে যাই। তেমনই একটা হলো ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভা। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন—ঢাকাতেই, উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
১০ দিন আগে