অস্ট্রিয়ান কবি ও ঔপন্যাসিক রাইনার মারিয়া রিলকের পুরো নাম রেনে কার্ল উইলহেম জোহান জোসেফ মারিয়া রিলকে। তৎকালীন অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের আওতাধীন প্রাগ শহরে ১৮৭৫ সালের ৪ ডিসেম্বর তাঁর জন্ম।
মা-বাবার চাপে ১৮৮৬ থেকে ১৮৯১ সাল পর্যন্ত মিলিটারি একাডেমিতে পড়াশোনা করেন রিলকে। এরপর অসুস্থতার কারণে সেখান থেকে চলে আসেন। ১৮৯৬ সাল পর্যন্ত প্রাগ ও মিউনিখে সাহিত্য, শিল্প, ইতিহাস ও দর্শন নিয়ে পড়েন।
১৮৯৭ সালের পর থেকে মারিয়া রিলকে উত্তর আফ্রিকা, রাশিয়া, স্পেন, জার্মানি ও ইতালিতে ভ্রমণ করেন। শেষ দিকে তিনি থিতু হন তাঁর কাব্য অনুপ্রেরণার অন্যতম দেশ সুইজারল্যান্ডে। জার্মান সাহিত্যে তাঁর অবদান বেশি শোনা গেলেও তিনি ফরাসি ভাষায় ৪০০-এর বেশি কবিতা লিখেছেন। প্যারিসে অবস্থানকালে তাঁর আধা আত্মজৈবনিক ধাঁচের উপন্যাস ‘দি নোটবুকস অব মালটে লরিডস ব্রিগ’ প্রকাশিত হয়। কবি ফ্রাঞ্জ জাভার কাপুসকে তিনি অনেক চিঠি লিখেছিলেন। এগুলো পরবর্তী সময়ে তাঁর মৃত্যুর পর ‘লেটার্স টু আ ইয়ং পোয়েট’ নামে ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হলে বেশ সাড়া জাগায়।
রিলকের প্রথম দিকের লেখায় অবিশ্বাস, নিঃসঙ্গতা ও উদ্বেগের দেখে মেলে। তবে শেষের দিকের লেখায় আধ্যাত্মিকতা ও মানবিকতার স্ফুরণ ঘটেছে। তাঁর লেখার আরেকটি বিশেষ দিক হলো আধুনিক সমাজের বিপর্যয় পরিস্থিতিকে তুলে ধরা। বিশ শতকের শেষ দিকে তাঁর কবিতা নতুন করে সমাদর লাভ করতে থাকে। তাঁকে নিয়ে আলোচনা হতো বিভিন্ন টেলিভিশন অনুষ্ঠানে, বই ও চলচ্চিত্রের আলোচনায়। তাঁর বই জালালুদ্দীন রুমি ও কাহলিল জিবরানের সঙ্গে সর্বাধিক বিক্রির তালিকায় স্থান পেতে থাকে।
১৯২৩ সাল থেকে রাইনার মারিয়া রিলকে শারীরিক সমস্যায় ভুগতে থাকেন। এর জের ধরে তাঁর শেষজীবনের বড় অংশ কাটে বিভিন্ন হাসপাতালে। এ সময় তাঁর ক্যানসারসহ আরও কিছু শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। ১৯২৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর তিনি সুইজারল্যান্ডের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

বাংলাদেশ গত এক দশকে জেন্ডার-বৈষম্য কমাতে অগ্রগতি করলেও কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ সূচকে অবস্থান উন্নত হলেও শিশুবিবাহ, ধর্ষণ ও সহিংসতা বৃদ্ধি উদ্বেগজনক। প্রায় ৫১ শতাংশ মেয়ের ১৮ বছরের আগে বিয়ে হয়, যা তাদের শিক্ষা, দক্ষতা, সক্ষমতা...
৩ দিন আগে
১৯৭০-এর দশকের শেষ আর ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় বিকাশ হয় একটি সামাজিক নৃত্যের, যেটির নাম কিজোম্বা। দেশটির কিমবুন্দু ভাষায় কিজোম্বা শব্দের অর্থ হলো ‘পার্টি’ বা ‘উৎসব’।
৪ দিন আগে
বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলের একটি জনপ্রিয় লোকনৃত্য ঝুমুর নাচ। নাচটি বিশেষভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর এবং ঝাড়খন্ড, ওডিশা, আসাম অঞ্চলের চা-জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। বাংলাদেশের কিছু সীমান্তবর্তী এলাকায়ও ঝুমুর নাচের প্রভাব দেখা যায়।
৫ দিন আগে
ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, ‘পদ্মা ব্যারাজ’ প্রকল্প একটি অত্যন্ত অপরিণত এবং অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত। পদ্মা ব্যারাজ নিয়ে আলোচনা করার আগে আমাদের আরও মৌলিক একটি বিষয় মোকাবিলা করা প্রয়োজন। ফারাক্কা ব্যারাজের কারণে বাংলাদেশ শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পায় না। চুক্তি সইয়ের পরও আমরা ধারাবাহিকভাবে...
১০ দিন আগে