১৯৬০-এর দশকে ফ্রান্সের প্রথম সংস্কৃতিমন্ত্রী আঁদ্রে মালরো প্যারিসের তাজা ফলের বাজার লি আলা সরিয়ে সেখানে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণের প্রস্তাব দেন। সেটা আর হয়নি। তখন প্যারিসে জনসাধারণের জন্য একটি বিশাল গ্রন্থাগারেরও প্রয়োজন দেখা দেয়। ১৯৬৮ সালে প্ল্যাটো বোবুরকে নতুন গ্রন্থাগারের জন্য নির্বাচন করেন প্রেসিডেন্ট চার্লস দ্য গল। পরের বছর নতুন প্রেসিডেন্ট জর্জ পোঁপিদু আগের দুটি ধারণাকে মাথায় রেখে বোবুরে গ্রন্থাগার ও সমকালীন ও আধুনিক চিত্রকলার কেন্দ্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বাছাই হওয়া রিচার্ড রজার্স, সু রজার্স, রেঞ্জো পিয়ানো এবং জিয়ানফ্র্যাংকো ফ্র্যাংকিনির নকশায় নির্মিত হয় আধুনিক স্থাপত্যের প্রতীক সঁত্র পোঁপিদু। এর উদ্বোধন হয় ১৯৭৭ সালে। প্যারিসের এই বিশাল কমপ্লেক্সে রয়েছে পাবলিক লাইব্রেরি, আধুনিক শিল্পকলা জাদুঘর এবং সংগীত ও ধ্বনি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এ বছর থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত সংস্কারকাজের জন্য সঁত্র পোঁপিদু বন্ধ রয়েছে।

স্মৃতিচারণা করে ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক বলেন, ‘যতদূর মনে পড়ে তখন দুটো-আড়াইটা হবে। ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল কলেজ এবং পরিষদ ভবনসংলগ্ন এলাকা তখন ধোঁয়াচ্ছন্ন রণক্ষেত্র। মেডিকেল কলেজ হোস্টেলের ১নং রুম কন্ট্রোল রুমে পরিণত হয়। মাওলানা তর্কবাগীশ, ধীরেন দত্ত, শামসুদ্দীন ও কংগ্রেস পার্টির সদস্যরা পরিষদ বয়কট...
২ দিন আগে
সাঈদ হায়দার স্মৃতিচারণা করেছেন এভাবে: ‘দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো, সংঘর্ষের তীব্রতা কমল না। প্রতিবাদমুখর ছাত্র-জনতাকে পুলিশ লাঠি চালিয়ে শান্ত করতে পারল না। তারা গুলি চালালো, গুলি চালালো মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের সামনের রাস্তায়। জব্বার আর রফিক প্রাণ হারালো।
৪ দিন আগে
মোহাম্মদ সুলতান ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী এবং একুশের প্রথম সংকলনের প্রকাশক। তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম যেকোনো মূল্যে ১৪৪ ধারা ভাঙতে হবে। এ বিষয়ে আলোচনার জন্য আমরা রাত ১টায় ফজলুল হক হল ও ঢাকা হলের মধ্যবর্তী সিঁড়িতে এক বৈঠকে মিলিত হই।
৯ দিন আগে
২১ ফেব্রুয়ারির আগে-পরের বছরগুলোজুড়ে নানা কিছু ঘটছিল। এখন এসে দিনগুলোতে ফিরে গেলে শিহরণ বোধ করি, বাংলা ভাষা নিয়ে এখন কিছু হতে দেখলে সেসব দিনে ফিরে যাই। তেমনই একটা হলো ১৯৪৮ সালের ২৪ মার্চ সমাবর্তন সভা। পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল জিন্নাহ ঘোষণা দিলেন—ঢাকাতেই, উর্দু পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
১০ দিন আগে