
পবিত্র মাহে রমজান আত্মসংযম ও ইবাদতের বসন্তকাল। রমজানে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এ মাসে তাই জাকাত আদায়ের প্রবণতা বেশি দেখা যায়। নবীজি (সা.) রমজান মাসে সবচেয়ে বেশি দানশীল ছিলেন। তাঁর উদারতা ছিল প্রবহমান বাতাসের মতো। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করেই রমজানকে জাকাত ও সদকার মৌসুম বলা হয়। ফলে দরিদ্র

বছরের ১২ মাসের মধ্যে মাহে রমজানের মাহাত্ম্য ও মর্যাদা অতুলনীয়। মুমিনের কাছে রমজান মানেই রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের এক বিশেষ সুযোগ। হাদিস শরিফে সিয়াম বা রোজা পালনকারীদের জন্য এমন কিছু বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, যা অন্য কোনো ইবাদতের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না।

মহিমান্বিত এ রাতকে আল্লাহ তাআলা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে সুপ্ত রেখেছেন। তিনি এটাকে সুনির্দিষ্ট করেন নি। রাসুল (সা.) রমজানের শেষ দশকে এ রাতের অনুসন্ধান করতে বলেছেন।

এরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই জাকাত ফকির, মিসকিন ও সেসব কর্মচারীর জন্য যারা জাকাত উসুলের কাজে নিয়োজিত এবং যাদের চিত্ত আকর্ষণ করা হয় তাদের জন্য। আর দাস মুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের ঋণ পরিশোধ, আল্লাহর পথে ও মুসাফিরদের (সাহায্যের) জন্য।