
ভারতের সর্বোচ্চ আদালত একটি স্কুল পাঠ্যবই নিষিদ্ধ করেছে। কারণ এতে বিচারব্যবস্থায় দুর্নীতির উল্লেখ ছিল। অষ্টম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান বইয়ের একটি অধ্যায় নিয়ে বিতর্কের পর এই সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

মানুষ জন্মগতভাবেই সুখী হতে চায়। আমরা চাই শান্তি, চাই স্বস্তি—এমন একটি জীবন, যেখানে রাতের ঘুমটা হবে নির্ভার। কিন্তু অদ্ভুত সত্য হলো, আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু বাইরের কেউ নয়; শত্রু নিজের চিন্তা, ভয়, অহংকার আর ভুল বিশ্বাস। অজান্তেই আমরা নিজের জন্য এমন এক মানসিক কারাগার তৈরি করি, যেখান থেকে বের হওয়ার পথটাও

আধুনিক জীবনে ইঁদুর দৌড়ে আমরা প্রায়ই হাঁপিয়ে উঠি। সাফল্য, খ্যাতি আর অন্যের স্বীকৃতির পেছনে ছুটতে ছুটতে আমরা ভুলে যাই নিজেদের আসল পরিচয়। অথচ জেই শেঠির বিখ্যাত বই ‘থিংক লাইক আ মংক’ আমাদের শেখায়, কীভাবে সন্ন্যাসীর মতো চিন্তা করে এই কোলাহলপূর্ণ পৃথিবীতেও প্রশান্তি খুঁজে পাওয়া সম্ভব।

একসময় ছিল যখন পাড়ার মোড়ের আড্ডায় কিংবা চায়ের কাপে ঝড় তোলার মূল রসদ ছিল বই। কোনো এক নতুন রহস্য উপন্যাসের রোমাঞ্চ অথবা দস্তয়েভস্কি-রবীন্দ্রনাথের কোনো জটিল দর্শন নিয়ে আলোচনা চলে যেত তুঙ্গে। কে কোন বই পড়ল, কার কোন চরিত্রের প্রতি মায়া জন্মাল সেসব আলোচনা না থাকলে যেন আড্ডাটাই জমত না।