
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, ‘সাংবাদিকতা পেশাটি মহান, সত্য প্রকাশে সাংবাদিকেরা কাজ করেন। তাঁদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। আমি বিশ্বাস করি, বিএনপি সব সময় সাংবাদিক-বান্ধব। এই দল অতীতের মতোই গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় বদ্ধপরিকর।’

প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে সরকারের জনকল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। সংবিধান, আইন ও বিধিবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে না। আমাদের একটি সংবিধান আছে, যা সব আইন ও বিধির মূল ভিত্তি। রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি স্তরে সেই আইনের শাসন নিশ্চিত...

খুব সহজে এখন অনলাইনভিত্তিক মিডিয়া চালু করা যাচ্ছে। সেখানে নীতিমালার একটা অভাব আছে—এটা আপনারাও (উপস্থিত সাংবাদিক) নিশ্চয় স্বীকার করবেন। জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা এসেছে যে—সাংবাদিক হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও আচরণবিধি থাকা প্রয়োজন, যাতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে প্রশাসন ও গণমাধ্যম...

তথ্যের জগতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বস্তুনিষ্ঠতা। তাই গণমাধ্যমকে বস্তুনিষ্ঠতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করতে হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যম গড়ে তুলতে অপতথ্য মোকাবিলায় কার্যকর চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স সিস্টেম প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।